চার হাজার টাকা বাকি, শিশুর লাশ ‘পচল’ হাসপাতালে

0

মাত্র চার হাজার টাকা। আর এই টাকা না দিতে পারায় একটি বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আটকে রেখেছিল নবজাতকের মরদেহ। এমনকি, হাসপাতালেই দেহটি পচে যাওয়ার পরও হতদরিদ্র বাবা-মায়ের হাতে মরদেহটি হস্তান্তর করেনি কর্তৃপক্ষ। তাদের কথা একটাই, বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল খুলিনি। শেষে এক জনপ্রতিনিধির হস্তক্ষেপে মৃত্যুর চারদিন পর নবজাতকের দেহ ফেরত পায় বাবা-মা।

ভারতের রাজধানী দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে গত সপ্তাহে এই ঘটনাটি ঘটে। গত সোমবার হৃৎপিণ্ডে সংক্রমণ নিয়ে দুদিন বয়সী শিশু সন্তানকে আহুজা নার্সিং হোমে ভর্তি করেন ট্যাক্সিচালক বাবা সন্দীপ চৌহান। কিন্তু সেদিন রাতেই মারা যায় শিশুটি। এরপর মাত্র চার হাজার টাকা (সাড়ে তিন হাজার রুপি) না দিতে পারায় শিশুটির দেহ শুক্রবার পর্যন্ত আটকে রাখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

নবজাতকের বাবা সন্দীপ কাঁদতে কাঁদতে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, ‘এর আগে আমাদের চার সন্তান মারা গেছে। এটা পঞ্চম সন্তান ছিল। হৃৎপিণ্ড সংক্রমণ নিয়েই তার জন্ম হয়। জন্মের দুদিন পরে সে শ্বাস নিতে পারছিল না। এরপরই ওই হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। ভর্তি করার সময় ২০ হাজার রুপিও দিয়েছিলাম। কিন্তু তারপরেই শিশু মারা যায়।’

আহুজা নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষ অবশ্য বলেছেন ভিন্ন কথা। তাঁদের দাবি, টাকা দিতে না পেরে নবজাতকের মরদেহ ফেলেই পালিয়ে যায় শিশুটির বাবা। পরে মৃতদেহ নিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

Share.

Leave A Reply