রেসিপিঃ ছাগল/খাসির মাংসের ঝোল

0

উপকরন ও পরিমান

– খাসির গোসত, কেজি খানেক হাড় গোড় সহ
– কয়েকটা পেঁয়াজ কুঁচি
– এলাচি, ৩/৪ টা
– দারুচিনি, ৪ টুকরা (হাফ ইঞ্চি)

– জয়ফল বাটা (১টা ফল ১০ কেজির জন্য ব্যবহার হয়) সামান্য
– জয়ত্রী, সামান্য এক চিমটির মত
– সরিষা, ২ চা চামচ (বাটা বা গ্রাইন্ড করা) * সরিষার জন্য স্বাদ বেড়ে যায় অনেক গুন
– আদা বাটা, ২ টেবিল চামচ (ইন্ডিয়ান, দেশী হলে একটু কম হলেও চলবে)
– রসুন বাটা, ৩ টেবিল চামচ
– ধনিয়া গুড়া বা বাটা, ১ চা চামচ
– লাল মরিচ গুড়া, হাফ বা সামান্য বেশী চা চামচ, ঝাল বুঝে
– হলুদ গুড়া, এক চা চামচ

– কয়েকটা আস্ত কাঁচা মরিচ

– পরিমান মত লবন/পানি
– তেল পনে এক কাপ (তেল কম দিয়েই খাসির গোসত রান্না করা উচিত, কারনে গোসতের চর্বি থেকেও তেল বের হয়)

প্রনালী


খাসির গোসত সামান্য গরম পানিয়ে ভাল করে ধুয়ে নেয়া প্রয়োজন। অনেকে এটা করেন না, অবশ্য না করলে নাই। আমি করে থাকি কারন এতে কিছু চর্বি ঝরে যায় এবং ঘ্রাণও কিছুটা কমে।


এবার কড়াইতে তেল গরম করে হাফ চামচ লবন যোগে পেঁয়াজ, দারুচিনি, এলাচি ভাঁজুন। পেঁয়াজ কুঁচি নরম হয়ে হলদে হয়ে যেতে দিন।


একটা বাটিতে সামান্য পানি দিয়ে নিন্মের (উপরেও উল্লেখ করা হয়েছে) মশলা গুলো মিশিয়ে নিন।
– জয়ফল বাটা (১টা ফল ১০ কেজির জন্য ব্যবহার হয়) সামান্য
– জয়ত্রী, সামান্য এক চিমটির মত
– সরিষা, ২ চা চামচ (বাটা বা গ্রাইন্ড করা) * সরিষার জন্য স্বাদ বেড়ে যায় অনেক গুন
– আদা বাটা, ২ টেবিল চামচ (ইন্ডিয়ান, দেশী হলে একটু কম হলেও চলবে)
– রসুন বাটা, ৩ টেবিল চামচ
– ধনিয়া ১ চা চামচ
– লাল মরিচ গুড়া, হাফ বা সামান্য বেশী চা চামচ, ঝাল বুঝে
– হলুদ গুড়া, দেড় চা চামচ


এবার মশলা মিক্সটা কড়াইতে ঢেলে দিন এবং ভাল করে মিশিয়ে নিন। প্রয়োজনে আরো এক কাপ পানি দিয়ে দিন।


কয়েকটা কাঁচা মরিচ আস্ত দিয়ে দিন এবং ভাল করে কষিয়ে তেল উঠিয়ে নিন। মশলা কষিয়ে মশলার কাঁচা ঘ্রান তুলে নিতে হবে। এখানে একটু ধৈর্য ধরতে হবেই।


এবার খাসির গোসত দিয়ে দিন এবং ভাল করে মিশিয়ে নিন।


মাধ্যম আঁচে ঢাকনা দিয়ে মিনিট ৩০ রাখুন। মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দিতে হবে।


এই রকম একটা অবস্থায় এসে যাবে।


এবার আরো দুই কাপ গরম পানি (নরমাল হলেও চলবে) বা ঝোল চাইলে আরো বেশি পানি দিয়ে দিন।


এবার আবারো ঢাকনা দিয়ে অল্প আঁচে মিনিট ২০ রাখুন। মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দেবেন। গোসত নরম হয়ে যাবে বলে আশা করছি। এবার ফাইন্যাল লবন দেখুন, লাগলে দিন না লাগলে ওকে। লবন পরিমান মত হওয়া একটা জরুরী ব্যাপার। লবন কম হলে বিরত্তিকর, আর বেশি হলে রান্নাকারীর দফারফা হয়ে পড়ে। তাই এটা মনে রাখতে হবে। শুরুতে এইজন্য কম দিয়ে শুরু করা উচিত কারনে এখানে এসে আপনি ফাইন্যাল লবন দেখার সুযোগ পাচ্ছেন।


হাড়ি সহ খাবার টেবিলে তুলে দিতে পারেন, বিশেষ করে ব্যচেলর এবং প্রবাসী ভাই বোনদের জন্য এটা করা যেতেই পারে! এত সময় কোথায়, ফ্যাশন দেখাতে গিয়ে সময় নষ্ট করার কোন মানে হয় না! হা হা হা…

Share.

Leave A Reply