বেগুন, আলু ও গিলাকলিজা রান্না রেসিপি

0

বেগুন, আলু ও গিলাকলিজার এই রান্নাটা পোলাউএর সাথে খেতে খুব ভাল লাগে তবে আমার মনে হয়েছে রুটির সাথে সকালের নাস্তা হিসাবে এটা বেশ মজাদার হতে পারত। চলুন, রান্না দেখে ফেলি।

রেসিপি পরিমাণ

(পরিমাণ অনুমান করে দেয়া হয়েছে, সামান্য এদিক ওদিকে কি আসে যায়)
– হাফ কেজি বা তারও কম মুরগীর গিলা কলিজা (কয়েকটা মুরগীর গিলা কলিজা জমিয়ে রাখা ছিল)
– এক কাপ পেঁয়াজ টুকরা করে কাটা
– এক চামচ আদা বাটা
– দুই চামচ রসুন বাটা
– পরিমাণ মত মরিচ গুড়া (ঝাল দেখে)
– হাফ চামচ হলুদ গুড়া
– গরম মশলা; তিন চারটে এলাচি, কয়েক টুকরা দারুচিনি
– এক চিমটি জিরা
– এক চামচ চিনি
– পরিমাণ মত লবণ
– পরিমাণ মত তেল/ পানি

প্রস্তুত প্রণালী


কড়াইতে কিছু তেল নিয়ে তাতে লম্বা বেগুন পিস (গোলাকার) করে কেটে হালকা ভাজি করে তুলে নিতে হবে এবং আলুকেও হালকা ভেজে তুলে রাখতে হবে।


এবার উক্ত কড়াইয়ের তেলে মুরগীর গিলা কলিজা হালকা ভেজে নিতে হবে।


ভাজি বা নরম হয়ে গেলে তাতে  এক কাপ পেঁয়াজ টুকরা করে কাটা,  এক চামচ আদা বাটা, দুই চামচ রসুন বাটা, পরিমাণ মত মরিচ গুড়া (ঝাল দেখে), হাফ চামচ হলুদ গুড়া, গরম মশলা; তিন চারটে  এলাচি, কয়েক টুকরা দারুচিনি, এক চিমটি জিরা, এক চামচ চিনি, পরিমাণ মত লবণ দিয়ে আবারো ভাজতে হবে।


কয়েকটা কাঁচা মরিচ কেটে দিয়ে তাতে দুইকাপ পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে মিনিট ২০শেক। মাঝে মাঝে নেড়ে দিতে হবে। আসলে ঝোল কমিয়ে গায়ে গায়ে নিয়ে আসতে হবে।


ঝোল কমে গিলা কলিজা নরম হয়ে গেলে তাতে আগে ভেজে রাখা আলু এবং বেগুন দিয়ে দিতে হবে।


শেষের দিকে কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিলে ভাল। ফাইন্যাল লবণ দেখুন। হলে ওকে, না হলে দিন।


ব্যস রান্না রেডি!


বাবুর্চি পোলাউ নিয়ে বসে পড়ুন!


দেখেই শান্তি। আহ, কত কি খাবার আছে এই দুনিয়ায়! আখাউড়া অঞ্চলের যারা জামাই হয়েছেন তারা শশুর বাড়িতে গেলে এমন খাবার পেলে চমকে উঠবেন না!

Share.

Leave A Reply