পেঁপে ভাঁজি (সকালের নাস্তায়, ঝাটপট) রেসিপি

0

পরিমান ও উপকরন

– কাঁচা পেঁপে কুচি (সাইজটা আপনি নির্ধারন করে নিন), হাফ কেজি, কম বেশী
– পেঁয়াজ কুচি, হাফ কাপের কম
– কাঁচা মরিচ, কয়েকটা, ঝাল বুঝে
– মরিচ গুড়া, দুই চিমটি, ঝাল বুঝে
–  হলুদ গুড়া, দুই চিমটি
– তেল, আট/দশ টেবিল চামচ, কম তেলেই রান্না করতে পারেন, ননষ্টিকি কড়াইতে
–  লবন, স্বাদ মত

– চিনি, এক চিমটি (ইচ্ছা, না হলে নাই)

প্রনালী

ছবি কথা বলে!

ছবি ১, পেঁপে কেটে এভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।


ছবি ২, কড়াইতে তেল গরম করে সামান্য লবন যোগে পেঁয়াজ কুচি ও কাঁচা মরিচ দিন।


ছবি ৩, ভাঁজুন


ছবি ৪, পেঁয়াজ কুচি হলদে হয়ে এলে মরিচ গুড়া ও হলুদ গুড়া দিন।


ছবি ৫, ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে ভাঁজুন। ঠিক এই অবস্থায় এসে যাবে। আগুন মাঝারি আঁচে রাখুন।


ছবি ৬, এবার পেঁপে কুঁচি দিন।


ছবি ৭, ভাল করে মিশিয়ে নেয়ার প্রস্তুতি নিন। ননষ্টিকি পাত্র হলে কাঠের খুন্তি ব্যবহার করুন।


ছবি ৮, মিশানোর পর আপনি ইচ্ছা হলে এক চিমটি চিনি ছিটিয়ে দিতে পারেন, আমি চিনি দিয়েছি। চিনি সাধারনত তরকারীর স্বাদ, ঘ্রান বাড়ায় এবং তরকারীকে মশৃন করে দেয়। আপনার ইচ্ছা না থাকলে দেয়ার দরকার নেই। সেই ক্ষেত্রে স্বাদ একটু ভিন্ন হবে, ব্যাপার না!


ছবি ৯, আগুন অনেক কমিয়ে দিন এবং ঢাকনা দিয়ে মিনিট ১৫ জন্য রেখে দিন। আলাদা পানি দেবার দরকার নেই।


ছবি ১০, পেঁপে থেকে পানি বের হয়, ঠিক এভাবে হয়ে যাবে।


ছবি ১১, আলতো ভাবে নাড়িয়ে দিন, নরম হয়ে গেলে পেঁপে কুঁচি ভেঙ্গে যায়। তাই বেশী নাড়াছাড়া করার দরকার নেই। ঝোল কমাতে আগুনের আঁচ বাড়িয়ে দিতে পারেন। তবে চুলার ধার ছেড়ে যাবেন না।


ছবি ১২, ধনিয়া পাতার কুঁচি দিয়ে দিন এবং মিশিয়ে নিন।


ছবি ১৩, ব্যস ফাইন্যাল লবন স্বাদ দেখে নিন, লাগলে দিন।


ছবি ১৪, পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।


ছবি ১৫, সবজি লাভার্সদের জন্য এটা নিশ্চয় আনন্দদায়ক হবে।

Share.

Leave A Reply