মজাদার বেগুন, আলু ও ইলিশ (মিক্স) রেসিপি

0

চলুন আজ বেগুন, আলু এবং ইলিশ মাছের কাঁটা কুটা দিয়ে একটা মিক্স রান্না দেখি।  আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে, কারন আমি খেয়ে মজা পেয়েছি। এদিকে বলে রাখি, এমন তরকারী প্রায়ই আমাদের পরিবার গুলোতে রান্না হয় এবং আপনারা সবাই এমন তরকারী খেয়ে দেখেছেন। যারা বেগুনের নাম শুনলে খেতে বসতে চান না, তাদের বলি “ভাইসব/ বোনসব, এই বয়সে খাচ্ছেন না বটে কিন্তু এক বয়স আসবে তখন শুধু বেগুনই খুজবেন”!

প্রয়োজনীয় উপকরন

– বেগুন হাফ কেজি
– আলু (কয়েকটা, বেশী ভাল লাগে না)
– ইলিশের কাঁটা কুটা (অন্য যে কোন মাছ দিলেও চলবে, শুঁটকী হলে আরো মজা)
– পেঁয়াজ কুচি হাফ কাপ
– এক চামচ আদা বাটা
– পরিমান মত গুড়া মরিচ (ঝাল বেশি না হওয়া ভাল)
– পরিমান মত গুড়া হলুদ (হাফ চামচই এনাফ)
– দুই চামচ রসুন বাটা
– এক চিমটি জিরা গুড়া
– পরিমাণ মত লবণ
– হাফ কাপ তেল
– কয়েকটা কাঁচা মরিচ
– ধনিয়া পাতা (দেশী বা বিলাতি)

প্রণালী


ইস, বেগুন না আপেল!


সামান্য তেলে, সামান্য লবণ দিয়ে বেগুন হালকা ভেজে নিন।


আলুও ভেজে নিন। এই ভাজাটা বেশী নয়। শুধু যাতে আলু নরম হয়ে যায়।


এর পর ঝোল রান্না। কড়াইতে তেল গরম করে সামান্য লবন যোগে হাফ কাপ পেঁয়াজ কুচি দিন। ভেজে হলুদ হয়ে গেলে তাতে এক কাপ পানি, এক চামচ রসুন, সামান্য হলুদ গুড়া ও মরিচ গুড়া, এক চিমটি জিরা গুড়া দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিন। লাগলে আরো  পানি দিয়ে নিন। ব্যস ঝোল হয়ে গেল। (এই ঝোল ভাল রান্না করতে পারলে সব রান্না আপনার হাতের মুঠায়!)


এবার ঝোলে মাছ দিন (বেশি মাছ দিতে পারি নাই, ইলিশ মাছের অনেক দাম!) এবং আবারো কষিয়ে নিন। প্রয়োজনে আরো এক কাপ পানি দিতে পারেন। কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিতে পারেন।


ঝোলে তেল ভেসে উঠলে হালকা ভাজি করা আলু বেগুন দিয়ে দিন।


ভাল করে মিশিয়ে নিন। হাফ কাপ পানি দিন।


এবার ঢাকনা দিয়ে মিনিট ১৫ রাখুন। খেয়াল করে, এদিক ওদিক চলে গেলে ঝোল কমে পুড়েও যেতে পারে। সাবধান। ফাঁকে ফাইন্যাল লবন দেখে নিন।


আপনার মনের মত হলে কিছু ধনিয়া পাতা ছিটিয়ে দিন।


ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। গরম ভাত, রুটি যার সাথে ইচ্ছা, চালান।

Share.

Leave A Reply