মজাদার চালতার খাট্টা /চালতার টক রেসিপি আপনি কখনো খেয়েছেন কি!

0

আজ আমি আপনাদের দেখাব কি ভাবে চালতার টক রান্না করতে হয়। খুবই মজাদার একটি রেসিপি।  নিশ্চয়ই আপনাদের আর সইছে না! টকের কথা মনে হলে কার না জিবে জল আসে! চলুন দেরী না করে দেখে ফেলি চালতার খাট্টা

রান্নাটা আমি ছোট বেলায় খাবার আইডিয়া থেকে করেছি, আপনারা চাইলে আপনাদের মত করেও রান্না করতে পারেন। আরো কিছু মশলা দিতে পারেন, আরো স্বাদ নিশ্চয় আপনাদের ভাল লাগবে।

উপকরণ ও প্রনালীঃ (একসাথে) 


বাতি (পাকার কাছাকাছি কিন্তু পাকা নয়) চালতা নিন।


মাঝামাঝি কেটে ফেলুন।


তারপর চামড়া খসিয়ে মনের মত করে কিছু টুকরা নিন। মুখে রস নিয়ে দেখুন, কেমন টক বা কেমন কষ, টকের উপর ভিত্তি করে পরিমান নিতে পারেন। এভাবে চালতা গুলো নিয়ে একটা হামানদিস্তা বা পাটা পুতা দিয়ে ভাল করে চেঁছে নিন। চাইলে বা বেশি কষ থাকলে চেঁচার পর সামান্য লবন দিয়ে ধুয়ে নিতে পারেন। এতে টক/কষ বেশি হলে কমে যাবে।


তারপর একটা খোলা হাড়ি নিয়ে চালতা দিয়ে হাড়ির কান্দা পর্যন্ত পানি দিন এবং নিন্মের মশলা/ভেজষ দিন।
– দুইটা মাঝারি পেঁয়াজ কুচি
– হাফ চামচ হলুদ গুড়া
– এক চিমটা মরিচ গুড়া (এটা শুধু রং এর জন্য, কালার কম্বিনেশন মাত্র)
– এক চিমটি আদা কুচি, না হলেও চলবে মনে হয়
– কয়েকটা কাঁচা মরিচ
– সামান্য লবন
এবং জ্বাল দিতে থাকুন।


আপনি যতক্ষন না টকে (মাঝে মাঝে টক জিহ্বায় লাগিয়ে, চামচ দিয়ে, সাবধানে) রাজী হবেন, ততক্ষন জ্বাল চলবে। এমনকি পানি কমে গেলে আবার পানি দিতে পারেন।


টক ঠিক লাগলে কিছু ধনিয়া পাতা দিয়ে দিন এবং মোটামুটি রেডী টক চুলা থেকে নামিয়ে রাখুন।


কয়েক চামচ তেলে কিছু রসুন কুচি ভাজুন, রসুন বাগার দিতে হবে।


রসুনের রং হলুদ হয়ে এলে টকের পাতিল থেকে কিছু টক ঢালুন। কাজটা করতে হবে সাবধানে, লক্ষ রাখবেন যাতে হাতে, গায়ে গরম টক (ছিটকা) না লেগে যায়। এই কাজে দরকার হলে অন্য কারো হেল্প নিতে পারেন। আমি আমার ব্যাটারীর হেল্প নিয়েছিলাম।


এবার কড়াইয়ের টক (বাগার দেয়া) পুনরায় পাতিলে ঢালুন এবং কিছুক্ষন মাঝারি আঁচে জ্বাল দিন। সাথে ফাইন্যাল লবন এবং স্বাদ দেখুন। লবন লাগলে দিন, স্বাদ ও টক (চুকা) বাড়াতে আরো জ্বাল দিতে পারেন।


পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত। আমার প্রিয় সোনার দেশের সোনার খাবার, দেখেই প্রান জুড়ায়।


আমি পুরা এক প্লেট ভাত এই টক বা চুকা দিয়ে খেয়ে উঠেছি। মনে হয়েছে, অনেকদিন পর কিছু খেলাম!

Share.

Leave A Reply