শাহী জর্দ্দা রেসিপি – স্টেপ বাই স্টেপ ছবি সহ!

0

শাহী খাবার মানেই এলাহী কারবার। মাঝে মাঝে এই খাবার খেতে কার না মন চায়। স্বাদে-গন্ধে সবার সেরা শাহী খাবারে যেমন আছে জিহ্বার প্রশান্তি, তেমনি অতিথির সামনে মান বৃদ্ধিতেও দারুন উপযোগী। আগে আপনারা দেখেছেন দুনিয়ার সবচেয়ে সহজ মিস্টি বানানোর উপায়। আজ জেনে নেয়া যাক, মজার খাবার শাহী জর্দ্দার সহজ রেসিপি।

উপকরণ

(আমরা হাফ কেজি চাউল দিয়ে বানিয়েছিলাম, হাফ কেজিতে ৮ জন খেতে পারবেই)
– চাউল (পোলাউ চাল বা যে কোন লম্বা চাল নিতে হবে, বাসমতী বা দেশমতী, চলবে)
– খাঁটি ঘি (দেড় কাপ)
– জাফরান (১ গ্রাম, জাফরানের দাম আকাশ ছোঁয়া, পার গ্রাম এখন ৩০০ টাকা)
– জর্দ্দা রং এক চিমটি (জাফরান বেশি না থাকলে, ভাল ফুড কালার কিনতে হবে)
– পেস্তা বাদাম কুঁচি (৪/৫ টেবিল চামচ)
– কিসমিস (৫/৬ টেবিল চামচ)
– দারুচিনি (ইঞ্চি খানেক করে দুই তিনটা)
– এলাচি (৫/৬টা)
– শুকনা খেজুর (আপনি চাইলে এখানে মোরব্বা জাতীয় যে কোন কিছু নিতে পারেন। আমাদের কাছে মোরব্বা না থাকায় খেজুর নিয়েছিলাম)
– চিনি (হাফ কাপ, চিনি বেশি হলে খাওয়া চলবে না, তাই দেখে শুনে বুঝে)
– দুধ (তিন টেবিল চামচ)
– লবন (এক চিমটি)
– পানি (পরিমান মত)

প্রনালী

ধাপ ১ – হাতের কাছে সব যোগাড় করে ফেলা

1

সব কিছু হাতের কাছে থাকা চাই এবং রান্না করার আগেই সব কিছু কুঁচি, কেটে ঠিক করে ফেলা দরকার।

ধাপ ২ – চাউল তৈরী

2

চাউল ধুয়ে পানি দিয়ে সিদ্ব করতে হবে এবং পানিতে সামান্য লবন এবং জাফরান দিতে হবে। জাফরানের ঘ্রান ও রং সিদ্ব হবার সাথে বের হতে থাকবে। (অনেকে এই সময় কমলা লেবুর কিছু রস দিয়ে থাকেন)

3

আমরা সামান্য জর্দ্দার রং (এই রং খাবারে কোন সমস্যা হয় না) দিয়েছিলাম।

4

চাউল সিদ্ব এবং রং ধরে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে চাঊল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন।

ধাপ ৩ – রান্না

5

এবার পাত্রে ঘি গরম করুন এবং দারুচিনি, এলাচি দিয়ে ভেঁজে নিন।

6

হাতের কাছে সব জিনিষ রাখুন। পানি ঝরিয়ে রাখা চাউল দিয়ে দিন এবং ভাঁজতে থাকুন। [কাঠের খুন্তি ব্যবহার করবেন]

এই সময় পাত্রের তলায় তাওয়া দিতে পারেন, এতে আগুনের আঁচ কম লাগবে। ভাঁজতে থাকুন।

7

কিসমিস দিয়ে দিন এবং নাড়ুন।

8

চিনি দিতে থাকুন এবং নাড়াতে থাকুন। চিনে ভেবে চিন্তে দিবেন।

9

এবার মিল্ক পাউডার (অনেকে এটা দিতে চান না, কিন্তু দিলে স্বাদ আরো বেড়ে যায়) ছিটিয়ে মিশাতে থাকুন এবং নাড়ুন।

10

বাদাম কুঁচি দিন (পরিবেশনের জন্য সামান্য রেখে দিন)

11

খেজুর কুঁচি দিন (এই সময়ে আপনি চাইলে মোরব্বা কুঁচিও দিতে পারেন

12

ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার চালের অবস্থা দেখুন, নরম হয়ে ঝরঝরে হয়ে গেল কিনা দেখে নিন। স্বাদ দেখুন। বেশি নরম নয় আবার যেন শক্তও না থাকে! যদি শক্ত লাগে তবে ঢাকনা দিয়ে অল্প আঁচে আরো কিছুক্ষন রেখে দিন।

13

পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত! কিছু বাদাম কুঁচি ছিটিয়ে দিন। এই সময়ে আপনি চাইলে কিছু ছোট নানান পদের মিষ্টি (যা মিষ্টি দোকানে পাওয়া যায়) দিয়ে সাজিয়ে দিতে পারেন।

Share.

Leave A Reply