সয়ামিট দিয়ে মজাদার নুডুলস রেসিপি (সোনামানিকদের জন্য)।

0

আসুন আজকে মজার একটা নুডুলস রান্না করি। খুব সাধারণ এবং সহজ। আমরা ঘরে থাকা কিছু সয়ামিট দিয়েছি, আপনাদের কাছে না থাকলে বাজার থেকে কিনে নিয়ে আসুন। বাকী সব উপকরণ আপনাদের ঘরে আছে বলে আমি মনে কর। দুই প্যাকেট ম্যাগী নুডুলস নিয়ে রান্না ঘরে নেমে পড়ুন। চার জনের জন্য বেশ মজার নাস্তা হয়ে যাবে। ছবির সাথেই বলে দিচ্ছি কি করে কি করতে হবে! চলুন –


সয়ামিট বাজারে একটু বড় গ্রোসারিতে পাওয়া যায়। পানিতে কিছু সময় ভিজিয়ে নিন, এতে সয়া মিট ফুলে উঠবে। পরে পানি ঝরিয়ে হালকা তেলে ভেজে তুলে রাখুন। এই নুডুলসে এটা লাগবেই তা নয়, না থাকলে শুধু যেখানে এটা দেয়া হয়েছে তা না করলেও আপনি একটা ভাল নুডুলস রান্না পেয়ে যাবেন। সয়ামিটের জায়গায় আপনি ইচ্ছা হলে ফুলকপি মার্কা সবজিও দিতে পারেন! খালি আবিষ্কার, আর আবিষ্কার করুন!


দুই প্যাকেট নুডুলস (পরিমাণ আপনার ইচ্ছা) নিয়ে গরম পানিতে সামান্য লবণ দিয়ে সিদ্ব করুন (বেশী না, গলিয়ে ফেলেন না) এবং পানি ঝরিয়ে আলাদা করে রাখুন। কয়েকটা কাঁচা/পাকা মরিচ নিয়ে রাখতে পারেন।


কড়াইতে সামান্য তেল নিয়ে (কিংবা সয়ামিট ভাঁজার বেঁচে যাওয়া তেলে) তাতে কিছু পেঁয়াজ কুচি এবং আদা কুচি ভাজুন এবং নুডুলস এর প্যাকেটে থাকা মশলা দুটো দিয়ে দিন। সামান্য লবণ দিতে ভুলবেন না।


কষে গেলে এবার হালকা ভাজি হয়ে যাওয়া সয়ামিট গুলো দিয়ে দিন। ভাল করে আবারো কষান।


আহ কি সুন্দর!


এবার নুডুলস গুলো দিয়ে দিন। এবং ভাল করে মিশিয়ে নিন। খুন্তি দিয়ে ভাল করে নেড়ে দিন। ফাঁকে একটা আলাদা বাটিতে একটা মিশ্রণ বানিয়ে নিন (হাফকাপ পানিতে চার চামচ টমেটো সস, হাফ চামচ চিনি, হাফ চিমটি গোল মরিচ গুড়া ভাল করে মিশিয়ে নিন)


এবার আপনার বানানো মিশ্রণটি ঢেলে দিন। এবং ভাল করে নাড়িয়ে মিশিয়ে দিন।


নুডুলস টাইপ রান্নাতে এই রকম চওড়া খুন্তি ব্যবহার করলে ভাল হয়। লবণ দেখে নিন।


হালকা আঁচে মিনিট ১০শেক ভাল করে ভাজুন। ভাল করে খুন্তি দিয়ে মিশিয়ে। তবে সাবধান, বেশী এলোমেলো করে নাড়াবেন না তাতে নুডুলস ভেঙ্গে যেতে পারে। যত নুডুলস বড় ও লম্বা থাকবে শিশুরা তত পছন্দ করবে।


ব্যস হয়ে গেল। সয়ামিট দিয়ে নুডুলস রান্না।


পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।


সোনামণি/মানিকদের জন্য বলা হলেও এটা আমি মনে করি পরিবারের সবাই পছন্দ করবে। নাস্তায় কিংবা টিফিনে এটা বেশ মজার খাবার হতে পারে। শেষে বলে যাই, রাতে রান্না করে ঠাণ্ডা করে ফ্রীজে রেখে দিতে পারেন, পরদিন স্কুলে টিফিনের জন্য দিতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে আবার গরম করে নিতে হবে।

আশা করি এই রেসিপিটা আপনাদের ভাল লাগবে এবং চেষ্টা করে দেখতে পারেন একবার। তবে রেসিপি পড়ে মনে রেখে রান্নাঘরে গেলে ভুল হতে পারে। যে কোন রেসিপি দেখে রান্না করতে হলে রেসিপির একটা প্রিন্ট নিয়ে রান্নাঘরে যাওয়া দরকার।

Share.

Leave A Reply