অলংকারের যত্নাদি বিষয়ক কিছু কথা

0

*কাপড় কাচা সাবান বা বাসন ধোয়ার সময় হাতের সোনা-রূপার অলংকার খুলে রাখবেন। নয়তো এগুলোর চকচকে ভাব ও সূক্ষ কারুকাজ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

*হীরা এবং সোনার জিনিস চকচকে করে তুলতে পুরোনো টুথব্রাশে টুথপেস্ট মাখিয়ে ব্রাশ করুন। এ পদ্ধতিতে যেকোনো অলংকার চকচকে করে তোলা যায়।

*সোনা ও রূপার জিনিস এক সাথে রাখবেন না, এতে সোনার ঔজ্জ্বল্য কমে যায়।

*রূপার গহনায় কালচে দাগ হয় খুব তাড়াতাড়ি। যখন এগুলো ব্যবহার করবেন না তখন নরম চামড়ার ব্যাগ বা বাক্স রাখুন, ভালো থাকবে। চামড়ার ব্যাগ না থাকলে ছোট কৌটার মধ্যে ট্যালকম পাউডার রেখে তার মধ্যে ডুবিয়ে রাখুন, সহজে কালচে হবে না।

*রূপার তৈরি অলংকার বা যেকোনো জিনিস তার স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা হারিয়ে ফেললে পেস্ট ও ব্রাশ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করুন। এরপর ওয়াশিং পাউডার মেশানো পানিতে দশ মিনিট ডুবিয়ে আবার ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করুন। রূপার উজ্জ্বলতা হবে দেখার মতো!

*রূপার অলংকারের সাথে কয়েক টুকরো কর্পূর রাখুন, তাহলে সেগুলো সহজে কালচে হবে না।

*গোল্ডপ্লেটেড অলংকারের চকচকে ভাব দীর্ঘদিন রাখতে চাইলে বর্ণহীন স্বচ্ছ নেইলপলিশের হালকা প্রলেপ এর উপর দিয়ে নিন।

*মলিন হয়ে আসা সোনার অলংকারে পেঁয়াজের রস লাগিয়ে ঘণ্টাখানেক রেখে দিন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার শুকনো কাপড় দিয়ে ঘষে ঘষে মুছুন, সোনার উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে।

*সূক্ষ্ম কারুকাজের সোনার গহনায় ময়লা জমলে হালকা গরম পানিতে সাবান মিশিয়ে দশ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এরপর ব্রাশ নকশার খাঁজে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করুন। পানি দিয়ে ধুয়ে নরম কাপড় দিয়ে মুছুন। নিজের গহনা নিজেই চিনতে পারবেন না!

*মুক্তার গহনা যদি মলিন হয়, তাহলে পরে ফেলুন! ত্বক থেকে নির্গত তেলে স্বাভাবিকভাবেই এগুলো পরিষ্কার হয়ে যাবে।

*ইমিটেশনের গয়না তুলায় মুড়িয়ে বাক্সে রাখুন, রং নষ্ট হবে না সহজে।

*পাথর বসানো গহনা আলাদা বাক্সে রাখুন, এতে পাথর খুলে পড়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

Share.

Leave A Reply