পাত্রী ক্লাস সেভেন, পাত্র প্রাইমারি! অত:পর…

0

ক্লাস সেভেনে পড়ুয়া নাবালিকার সঙ্গে প্রাইমারির ছাত্রের বিয়ে সম্পন্ন হয়ে গেল। খাওয়া-দাওয়া হল। আর ঠিক তখনি এসে হাজির পুলিশ।

নাবালিকা বিয়ে দেওয়ার অপরাধে হাতেনাতেই আটক করলেন কাজী সাহেবকে। সঙ্গে মেয়ের বাবাকে তোলা হল পুলিশের জিপে। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

গত মঙ্গলবার রানিনগর থানার পুলিশ কাতলামারির রামনগরপাড়ায় আচমকা হাজির হয়ে কাজী ও মেয়ের বাবাকে আটক করে। পুলিশ জানায়, তের বছর বয়সী পাত্রী কাতলামারি হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। আর পাত্রের বয়স দশ।

পাশের গ্রাম নটিয়ালের প্রাথমিক স্কুলে পড়ে। স্থানীয় এক মৌলবীর তৎপরতায় এই বিয়ে সম্পন্ন হয়। স্থানীয় গ্রামবাসীরা আপত্তি জানানোর পরও দানো যায়নি বর-কনের পরিবারকে।

পাত্রীর বাবার দাবি, নটিয়ালের সেলিম শেখ বেশ কিছু দিন ধরে তাকে মেয়ের বিয়ের জন্য জোরাজুরি করছিলেন। শেষে তিনি রাজি হন এবং নগদ ২৩ হাজার টাকা অগ্রীম পণ দেন।

ওই মৌলবীর দাবি ছিল, আপাতত কাগজে-কলমে বিয়ে হবে। ছেলে-মেয়েরা বড় হলে তিন বছর পর শ্বশুরবাড়ি যাবে মেয়ে।

পাত্রের বাবা সেলিম পেশায় ছুতোর মিস্ত্রী। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। পণের টাকার লোভেই তিনি এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে প্রতিবেশিরা জানায়।

Share.

Leave A Reply