সঠিক খাদ্যাভাসে রক্ষা হবে চুল

0

ছেলেমেয়ে নির্বিশেষে আমরা প্রায় সবাই চুলের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগে থাকি। আর এ সমস্যাগুলো বিভিন্ন কারণে হতে পারে। যেমন : পুষ্টির অভাব, হরমোন সংক্রান্ত জটিলতা ইত্যাদি। এক্ষেত্রে সঠিক খাদ্যাভাস, সঠিক পরিচর্যা, শারীরিক সুস্থতাই পারে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ঝলমলে চুল ধরে রাখতে। খাদ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে আমাদের অধিক সচেতন হতে হবে। সেক্ষেত্রে সময়মত সুষম খাবার খাওয়া খুবই প্রয়োজনীয়। এছাড়া পরিমিত শাকসবজি, সালাদ, ফল খেতে হবে।

স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ঝলমলে চুল ধরে রাখার ক্ষেত্রে ভিটামিন এ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কেননা ভিটামিন এ-এর অভাবে চুল রুক্ষ ও প্রাণহীন হয়ে পড়ে। তাই চুলের সজীবতা ধরে রাখার ক্ষেত্রে সঠিক মাত্রায় ভিটামিন এ সেবন করা দরকার। তবে আমাদের মনে রাখা জরুরি যে অতিরিক্ত ভিটামিন ‘এ’ কিন্তু চুলের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত ভিটামিন এ-এর কারণে চুল ঝরে পড়তে পারে, আবার স্থানে স্থানে অল্প অল্প চুল উঠে গিয়ে টাক সৃষ্টি হতে পারে। সেক্ষেত্রে ভিটামিন এ ক্যাপসুল সেবন করলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী করা উচিত।

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ভিটামিন “সি” রাখার চেষ্টা করুন। যেমন- লেবু জাতীয় ফল, কমলালেবু ইত্যাদি। ভিটামিন “সি” চুলের খসখসে ভাব দূর করে চুলকে আরো স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ঝলমলে করতে সহায়তা করবে। আবার ভিটামিন “বি”এর প্রভাবে চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। চুল হয়ে ওঠে আরো চিকচিকে। শস্যদানা, দুধ, ডিম, কলা, বাদাম, কলিজা, ডালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি। এছাড়া প্রোটিনের অভাবে চুলের রঙ নষ্ট হয়ে যায়। প্রথমে লালচে বাদামি হতে থাকে পরে চুল ঝরে যায় ও চুলের আগা ফাটতে থাকে। মূলত কেরোটিনের অভাবে চুলের আগা ফাটে। তাই খাবারের তালিকায় মাছ, চর্বি জাতীয় গোশত, ডিম, মাখন তোলা দুধ, ডাল, দই, পনির ইত্যাদি রাখা জরুরি। কারণ এই জাতীয় খাদ্য আপনার কেরোটিন তৈরিতে সহায়তা করবে।

উল্লেখ্য পেটের সমস্যা, হজমে গোলমাল, লিভারজনিত সমস্যা থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। এছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম ও দুশ্চিন্তামুক্ত জীবনযাপন করার চেষ্টা করুন। এটি আপনাকে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে সহায়তা করবে।

Share.

Leave A Reply