কেমন হওয়া উচিৎ সকালের নাস্তা?

0

সকালের নাস্তা আমাদের শরীরে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। সকালের নাস্তা রাজার মত, দুপুরের খাবার রাজকুমারের মত এবং রাতের খাবার কাঙ্গাল ব্যক্তির ন্যায় হওয়া উচিৎ। ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও সকালের নাস্তা অপরিহার্য। ভালো স্বাস্থ্যের জন্য সকালের নাস্তা অত্যাবশ্যকীয়। এই কথাগুলো আমরা অনেকের কাছেই, অনেকবার শুনেছি। এ কথার অবশ্যই সত্যতা রয়েছে। কিন্তু, আসলে সকালের নাস্তা হিসেবে কি ভালো? তা কি আমরা জানি?

সকালের ভালো খাবার আপনাকে সারাদিনের পূর্ণতা দিবে। আপনার শরীরের যথেষ্ট পুষ্টি সরবরাহ করবে এবং মনকে পরিতৃপ্ত করে। তাই, সকালের খাবার অবশ্যই পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ হতে হবে। সকালের খাবারে যেন আপনার শক্তি বৃদ্ধি পায়, তাই নিম্নে একটি আদর্শ খাবারের বর্ণনা করা হল-

১. শক্তির জন্য কার্বোহাইড্রেড

ফল, শাকসবজি বা আপনার পছন্দের কোন খাবার যা সারাদিন আপনার শরীরের শক্তির চাহিদা বজায় রাখে, তাই করুন আপনার সকালের নাস্তা। আপনার শক্তির চাহিদার অধিকাংশ যেন সকালে গ্রহণ করা হয়, তা অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে। সকালের খাবারে আপনি কতটুকু ক্যালোরি গ্রহণ করছেন, তা চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই। কারন, সকালে খাবার খাওয়ার পর সারাদিনে আমাদের শরীরের অনেক শক্তি খরচ হয়, যার ফলে শরীরে কোন মেদ জমে না। তাই, নিশ্চিন্তে আপনার পছন্দমত খাবার গ্রহণ করতে পারেন। সকালের খাবার একটু বিলাসিতা পূর্ণ হয়, তাই অবশ্যই আপনাকে গুরুত্বের সাথে তা নিতে হবে।

২. পুষ্টি

রুটি ও পরোটাতে যে শর্করা রয়েছে, তা আপনার পুষ্টির সম্পূর্ণ চাহিদা পূরণ করেন না। এর জন্য অবশ্যই আপনার খাদ্য তালিকায় ফল অন্তর্ভুক্ত করুন। স্ট্রবেরি, নাশপাতি, পেঁপে, আপেল ইত্যাদি ফলে বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এছাড়াও, আপনি বিভিন্ন রঙ্গিন ফল যেমন- টমেটো খেতে পারেন। এতে অনেক পুষ্টি রয়েছে।

৩. প্রোটিন

সকালের নাস্তায় ডিম অথবা গ্রিল চিকেন সবচেয়ে ভালো উৎস প্রোটিনের জন্য। সারাদিনের কাজের চাপে অতিরিক্ত ক্যালোরি পুড়ে যায়। তাই, আপনি ক্যালোরি সমৃদ্ধ খাবার হতে প্রোটিন গ্রহণ করতে পারেন।

৪. চর্বি

ডিমের কুসুমে প্রচুর চর্বি বিদ্যমান। এছাড়াও, আপনি আপনার খাবারের তালিকায় যে কোন সময় বেকন অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। সকালের নাস্তায় দুধ অথবা দই খেলেও শরীরের চর্বির চাহিদা পূর্ণ হয়। শরীরের চর্বি কন্টেন্ট পূরণের জন্য সকালের নাস্তা হল শ্রেষ্ঠ সময়।

মোট কথা, সারাদিনের মাঝে সকালে সবচেয়ে বেশি খাবার গ্রহণ করুন। তবে খাবার যা খাবেন, তা যেন সারাদিনের কাজের চাহিদা ও শরীরের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে পারে তা লক্ষ্য রাখুন।

Share.

Leave A Reply